Advertisements

করিন বেনজেমা এবং গ্যারেথ বেল ছিলেন না। আগে থেকেই দলের বাইরে আছেন এডেন হ্যাজার্ড। সৌদি আরবে স্প্যানিশ সুপার কোপার সেমিফাইনালে তাই লস ব্লাঙ্কোসদের আক্রমণের দায়িত্বে ভিনিসিয়াস জুনিয়র এবং রদ্রিগো গোয়েস থাকবেন বলে মনে করা হয়েছিল। মারিয়ানো দিয়াজ কিংবা ব্রাহিম দিয়াজদের জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাও ছিল। কিন্তু রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান পুরো ছকটাই বদলে দিলেন।

শুরুর একাদশ সাজালেন পাঁচজন মিডফিল্ডার নিয়ে! তাতেই বাজিমতা জিদানের। সৌদি আরবে প্রথমবার আয়োজিত সুপার কোপার সেমিফাইনালে ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে উঠে গেছে ফাইনালে। বার্সেলোনা বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদকে হারাতে পারলে স্প্যানিশ সুপার কোপার ফাইনাল হবে এল ক্লাসিকোর। আর অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ উঠলে হবে মাদ্রিদ ডার্বির।

রিয়াল কোচ জিদান ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে গোলের সামনে শুরুর একাদশে খেলান লুকা জোভিককে। কিন্তু কোন প্রথাগত উইঙ্গার খেলাননি তিনি। বরং কাসেমিরো, ফেদে ভালভার্দে এবং টনি ক্রুসকে মূল মিডফিল্ডে রেখে অপর দুই মিডফিল্ডার ইসকো এবং লুকা মডরিচকে উইঙ্গে তুলে আনেন। জিদানের এই নতুন কৌশল সম্পর্কে নিশ্চয় ওয়াকিবহাল ছিলেন না ভ্যালেন্সিয়া কোচ। তার কৌশল তাই দারুণ কাজে দিয়েছে।

মাথা খাটিয়ে দুর্দান্ত এক অলিম্পিক গোল করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার টনি ক্রুস। ভ্যালেন্সিয়া গোলরক্ষক দলের রক্ষণভাগের ফুটবলারদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন। ভুল করে গোল ছেড়ে ওপরে চলে যান তিনি। ক্রুস তার ভুল কাজে লাগিয়ে দারুণ এক শটে গোল করেন। কর্ণার কিক থেকে সরাসরি গোল করে অলিম্পিকো গোলের খাতায় নাম তোলেন। এরপর আরেক মিডফিল্ডার ইসকো দলের লিড বাড়িয়ে নেন। আর লুকা মডরিচ ডান পায়ের দারুণ এক বাঁকানো শটে যেভাবে গোল করেন সেটাও ছিল দেখার মতো।

ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ বলেন, ‘উইঙ্গার নিয়ে আমরা খেলতে পারতাম। কিন্তু আমি চেয়েছিলাম ইসকো এবং লুকা মডরিচ দুই উইঙ্গ ধরে খেলুক। শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে আমরা আঘাত করতে চেয়েছিলাম। আমরা সবসময় নতুন কিছু করতে পছন্দ করি। মাঠে আমরা কৌশলটা ভালো মতো ব্যাখ্যা করে দেখাতে পেরেছি। সামনের ম্যাচে আশা করছি আরও নতুন কিছু দেখাবো।’

By Abraham

Translate »