Advertisements

প্রথম ম্যাচে স্লো ব্যাটিংয়ের বড় উদাহরণ সৃষ্টি করে প্রথম ম্যাচে ৫ উইকেটে বাংলাদেশ সংগ্রহ করতে পেরেছিল কেবল ১৪১ রান। দ্বিতীয় ম্যাচে একই মাঠে টাইগাররা প্রথম ম্যাচের রানও উপহার দিতে পারলেন না। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তারা স্কোরবোর্ডে জমা করতে পেরেছেন কেবল ১৩৬ রান। অথচ, উইকেট হারিয়েছে ৬টি।

প্রথম ম্যাচ শেষে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের উইকেটকে স্লো আখ্যা দিয়েছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বলেছিলেন, স্লো উইকেট হওয়ার কারণে কাংখিত ব্যাটিংটা তারা করতে পারেননি।

কোনো বিরতি না দিয়ে টানা দ্বিতীয় দিন দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম দিনের ভুল থেকে কিছুটা হলেও শিক্ষা নেয়া প্রয়োজন ছিল বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের। সেই শিক্ষা নেয়া সম্ভব হয়েছে কি না, তা দ্বিতীয় ম্যাচের স্কোরকার্ডই বলে দিচ্ছে।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করারই সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু গতকালের শুরুটাও আজ করতে পারেনি টাইগাররা। স্লো ব্যাটিং করলেও প্রথম ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে উঠেছিল ৭১ রান। আজ স্কোরবোর্ডে ৫ রান উঠতে না উঠতেই শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে মোহাম্মদ নাঈম ব্যাটে খোঁচা লাগিয়ে উইকেটের পেছনে উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে জমা দেন।

২২ রানে বিদায় নেন ওয়ান ডাউনে নামিয়ে দেয়া বিপিএল কাঁপানো ব্যাটসম্যান মেহেদী হাসান। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করেন তিনি। বিপিএল কাঁপানো আরেক ব্যাটসম্যান লিটন দাস আউট হলেন মাত্র ৮ রান করে, বল হজম করেছেন তিনি ১৪টি।

আফিফ হোসেন ধ্রুব মাঠে এসে ওপেনার তামিম ইকবালের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ২০ বলে ২১ রান করে তিনিও বিদায় নেন আরেক পেসার মোহাম্মদ হাসনাইনের বলে।

আফিফ আউট হওয়ার পর তাড়াহুড়া করে রান নিতে গিয়ে রানআউটের খাঁড়ায় পড়লেন তামিম ইকবাল। ৫৩ বলে ৬৫ রান করে বিদায় নেন তামিম। ৭টি বাউন্ডারির সঙ্গে ১টি ছক্কার মার ছিল তার ইনিংসে।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ মাঠে নেমে খেললেন ১২ বলে ১২ রান। ১টি বাউন্ডারি মারলেন শুধু। এরপর বিদায় নেন তিনি। সৌম্য সরকার মাঠে নেমে খেলার সুযোগ পান মাত্র ৫ বল। আমিনুল ইসলাম বিপ্লব পেলেন ৪ বল খেলার সুযোগ। কিন্তু সৌম্য করলেন কেবল ৫ রান আর বিপ্লব করলেন ৮ রান। দু’জনই ছিলেন অপরাজিত।

পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ হাসনাইন ২টি, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ এবং শাদাব খান নেন ১টি করে উইকেট।

By Abraham

Translate »