Advertisements

বিশ্বের স্মার্টফোন বাজারে এতদিন দ্বিতীয় স্থানে ছিল আমেরিকা। কিন্তু ২০১৯ এর পরিসংখ্যান সকল হিসাব নিকাশ উল্টে দিয়েছে।

২০১৯ সালে ভারতে ১৫৮ মিলিয়ন ফোন সেট আমদানি হয়েছে। আর স্মার্টফোনের বাজারে নিজেদের রাজত্ব ধরে রেখেছে চীন। আবার ভারতের এই সম্মানের পেছনে কিন্তু চীনেরই অবদান সবচেয়ে বেশি। কেননা তারাই ভারতের ৭২ শতাংশ স্মার্টফোনের যোগান দিয়েছে। ভারতে ব্যবহৃত চাইনিজ স্মার্টফোন কোম্পানির ভেতরে শীর্ষে ছিল শাওমি, ভিভো, রিয়েলমি এবং অপো।

নানা বিরোধিতা সত্ত্বেও ভারতে চাইনিজ ফোনের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছেই। এর আগে তথ্য পাচারের অভিযোগে চাইনিজ ফোন নিয়ে বিরূপ প্রচারণা ছিল ভারতে। তখন ধারণা করা হয়েছিল চাইনিজ কোম্পানিগুলো হয়তো ভারতে তাদের নিজেদের বাজার হারাবে। তাছাড়া কূটনৈতিকভাবেও দুই দেশের সাথে বেশ রেষারেষি আছে। পাকিস্তান ইস্যুতেও দুই দেশ সব সময় দুই মেরুতেই অবস্থান করে।

এরপরেও ভারতে চাইনিজ ফোনের আগ্রাসন ঠেকানো যায়নি। এমনকি ভারতের নিজস্ব কিছু স্মার্টফোন কোম্পানি থাকার পরেও। এর পেছনে কম দামে অধিক ফিচার সম্পন্ন স্মার্টফোনকেই এগিয়ে রেখেছে গ্রাহকরা তাদের চাহিদার তালিকায়। আর চাইনিজ কোম্পানিগুলোও এই সুযোগ নিয়েছে দুই হাত ভরে।

আমেরিকান কোম্পানি কিংবা কোরিয়ান কোম্পানিগুলো ফোনের দামে নিজেদের সেই নিরিখে প্রতিযোগিতায় রাখতে পারেনি। কেননা স্যামসাং বা আইফোন খুব একটা বাজেটেড ফোনে মনোযোগী না। আর এই সুযোগটাই চাইনিজ কোম্পানিগুলো নিয়ে থাকে। মিডরেঞ্জের ফোনে চাইনিজ কোম্পানির তুলনা মেলা ভার। যদিও আইফোনের বাজার কিছুটা হলেও বেড়েছে ভারতে তবে তা চাইনিজ ফোনকে টপকে যাওয়ার মতো কিছুই না। অন্যদিকে স্যামসাং ৫ শতাংশ বাজার হারিয়েছে ২০১৯-এ।

By Abraham

Translate »