Advertisements

একাধিক সফল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) সিদ্ধান্তে এসেছে এখন থেকে আর বোলারদের পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে না মাঠের আম্পায়ারদের। পায়ের ‘নো বল’ নিয়ে আর মাথা না ঘামালেও চলবে বোলারের পেছনে দাঁড়িয়ে থাকা আম্পায়ারকে। এখন থেকে এই দায়িত্ব তৃতীয় বা টিভি আম্পায়ারের।

২১ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হতে যাওয়া মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ থেকে কার্যকর হবে এই নিয়ম।

২০১৬ সাল থেকেই কিছু কিছু ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয় নতুন এই নিয়ম। ২০১৯ সালে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-টুয়েন্টি সিরিজে বেশ গুরুত্বের সঙ্গে এই নিয়মের বাস্তব প্রয়োগ ঘটায় আইসিসি। এরপর ২০২০ সালের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ- আয়ারল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজেও দেখা গেছে এটির চর্চা।

সোমবার আইসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে ১২টি ম্যাচে মোট ৪৭১৭টি বলের সময় বোলারদের পায়ের দিকে নজর রেখেছিলেন টিভি আম্পায়াররা। এ সময়টাতে ১৩টি পায়ের ‘নো বল’ ডেকেছেন এই আম্পায়াররা যা মোট বলের ০.২৮ শতাংশ। আইসিসির দাবি,  ‘প্রতিটি ডেলিভারি সঠিকভাবে বিচার করতে পেরেছেন আম্পায়াররা।’

আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার জিওফ অ্যালারডাইসের মতে এই সিদ্ধান্তের ফলে মাঠের অন্য বিষয়গুলোর দিকে এখন ভালোভাবে নজর দিতে পারবেন ফিল্ড আম্পায়াররা। সেকেন্ডের ভগ্নাংশে বোলারদের পা থেকে শুরু করে ব্যাটসম্যানদের ব্যাটে বলের স্পর্শ,  কিংবা এলবিডব্লিউ অর্থাৎ বলের গতিবিধি খেয়াল রাখা বেশ কঠিন ছিলো বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।

কীভাবে টিভি আম্পায়াররা নো বলের সিদ্ধান্ত দেবেন সেটাও গত আগস্টে ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন অ্যালারডাইস, ‘প্রতিটি বলের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ফুটেজ চলে যাবে টিভি আম্পায়ারের কাছে। নো বল হলে তখনই মাঠের আম্পায়ারদের জানাবেন তিনি। তার পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে প্রতিটি ডেলিভারি সঠিক ডেলিভারি বলে ধরে নেয়া হবে।

‘স্লো-মোশনে প্রতিটি ডেলিভারির ফুটেজ পাবেন টিভি আম্পায়ার, পাবেন স্থির চিত্রও। তবে কীভাবে নো বল ডাকলেন আম্পায়ার তার সবগুলো ফুটেজ দেখানোর স্বত্ব থাকছে না সম্প্রচারকারীদের হাতে।’

By Abraham

Translate »