Advertisements

১৪ বলে ২১ রান দরকার। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে উইকেটে ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শ। এমন অবস্থায় ছক্কা মারতে গেলেন মার্শ। অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বলকে মাঠেই রাখলেন ফাফ ডু প্লেসি। আর সে বল ঝাঁপিয়ে লুফে নিলেন মিলার। ম্যাচটা আরও জমে উঠল পরের ওভারেই। ম্যাথু ওয়েডকে নিজের শিকার বানিয়ে নিলেন কাগিসো রাবাদা। পুরো ওভারে একটি ওয়াইডসহ মাত্র ৩ রান দিলেন রাবাদা। পুরো ম্যাচে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকা হঠাৎ করেই ম্যাচের চালকের আসনে।

নর্তিয়ের করা পরের ওভারে প্রথম বলে মাত্র ১ রান নিলেন ওয়ার্নার। পরের বলেই বোল্ড আগের ওভারে ৩ বল নষ্ট করা অ্যাগার। ৪ বলে দরকার ১৬ রান। কঠিন সে সমীকরণ মেলাতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার বা মিচেল স্টার্ক। হারতে হয়েছে ১২ রানে। এর ফলে সিরিজে ১-১ সমতা চলে এল। আগামী ২৬ তারিখ কেপটাউনে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুই দল।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টানা দুই টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের ব্যর্থতা ভুগিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এ নিয়ে কোচ আক্ষেপ লুকানোর কোনো চেষ্টা করেননি। আজ অবশ্য ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতা তাদের ডোবাতে বসেছিল। কুইন্টন ডি ককের দারুণ শুরু কাজে লাগাতে পারেননি। মাত্র ১৫৮ রানেই থেমে গেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেটা ওয়ার্নার ও স্মিথ সহজেই টপকে যাবে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। শেষ ৩ ওভারে মাত্র ২৫ রান দরকার ছিল অস্ট্রেলিয়ার। ১৮তম ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে মার্শকে ফিরিয়ে দিয়েছেন এনডিডি। পরের ওভারে রাবাদা তো আরও দুর্দান্ত ছিলেন। শেষ ওভারে আনরিখ নর্তিয়েও চাপের মুখে ঠান্ডা মাথায় বল করে দিয়েছেন মাত্র ৪ রান।

এর আগে ঝোড়ো শুরু পেয়েও কীভাবে ছুড়ে ফেলে দিতে হয় সেটা আজ দেখিয়ে দিয়েছে দুই দল। প্রথমে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা দলকে দারুণ শুরু এনে দিয়েছিলেন কুইন্টন ডি কক। কিন্তু অধিনায়কের ৪৭ বলে ৭০ রানের ইনিংসের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি কেউ। ডি কক ছাড়া বলার মতো রান করতে পেরেছেন শুধু ফন ডার ডুসেন (৩৭)। ৭ উইকেট থাকা সত্ত্বেও শেষ ৫ ওভারে ৩৬ রান পেয়েছে তারা।

১৫৯ রানের লক্ষকে একদম সহজ বানিয়ে দিচ্ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রান তোলা অস্ট্রেলিয়া এক শ পেরিয়েছে ১৩তম ওভারে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকানদের দুর্দান্ত ফিল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফিরিয়ে দিয়েছে স্টিভ স্মিথ (২৯) ও মার্শকে।

By Abraham

Translate »