Advertisements

নভেল করোনাভাইরাসের উৎস দেশ চীনের চেয়ে এখন তাদের প্রতিবেশী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রান্তের হার বেশি।

শনিবার সকাল পর্যন্ত আগের গত ২৪ ঘণ্টায় চীন যেখানে নতুন ৪২৭ রোগী শনাক্তের তথ্য দিয়েছে, সেখানে দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৯৪।

নতুন ৪২৭ জনকে নিয়ে চীনে এই পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৯ হাজার ২৫২ জন। এর মধ্যে ৩৯ হাজারের বেশি সুস্থও হয়ে গেছেন। এখন রোগাক্রান্ত আছেন ৩৭ হাজারের মতো।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে আরও ১ হাজার ২৪ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে।

চীনের পর সবচেয়ে বেশি রোগী এখন দক্ষিণ কোরিয়ায়। দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৯৩১ জন।

রোগীর সংখ্যা বিচারে এর পরে রয়েছে- ইতালি (৮৮৯), ইরান (৩৮৮) ও জাপান (২৩৪)।

ইতালিতে নতুন ২১ রোগী শনাক্ত হয়েছে। লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে করোনাভাইরাসে এক রোগী শনাক্ত হয়েছে।

এন্টার্কটিকা বাদে পৃথিবীর সব মহাদেশে এই ভাইরাস সংক্রমণ ঘটার পর এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫ হাজার ২০৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় কভিড-১৯ এ মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে ৪৮ জন। এর মধ্যে ৪৭ জন চীনের, বাকি একজন দক্ষিণ কোরিয়ার।

তাদের নিয়ে বিশ্বজুড়ে এই পর্যন্ত মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৯২৪। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৩৫ জনই চীনের।

চীনের বাইরে সবচেয়ে বেশি রোগী মারা গেছে ইরানে ৩৪ জন। সরকারি তরফে এই সংখ্যা দেওয়া হলেও ইরানে মৃতের সংখ্যা তার কয়েকগুণ বেশি বলে দেশটির স্বাস্থ্যকর্মীদের তথ্যের ভিত্তিতে বিবিসি দাবি করেছে।

ইতালিতে এই পর্যন্ত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে নভেল করোনাভাইরাসে। জাপানে পাঁচজন, হংকংয়ে দুজন, ফ্রান্সে দুজনের মৃত্যু হয়েছে এই রোগে।

চীনের উহানে দুই মাস আগে সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর নভেল করোনাভাইরাস এখন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হওয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

By Abraham

Translate »