Advertisements

বিয়ের প্রায় তিনমাস পর কলকাতায় অনুষ্ঠিত হলো সৃজিত-মিথিলার সংবর্ধনা। শনিবার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান যেন রীতিমতো চাঁদের হাট বসেছিলো যেনো। টালিগঞ্জের বাঘা বাঘা সব তারকারা হাজির হয়েছেলেন তাতে।

অনুষ্ঠানে মিথিলা একদম নতুন কনের মতোই লাল রঙের শাড়ি পরেছিলেন আটপৌড়ে কায়দায়। আর সৃজিত একটি প্রিন্টেড পাঞ্জাবির সঙ্গে লাল রঙের ধুতি পরেছিলেন। কলকাতার স্বভূমির রাজ কুটিরে হয় এই নবদম্পতির রিসেপশন।

বিয়ের আনুষ্ঠানিক রীতি শেষে সৃজিত-মিথিলা গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন। সে সময় সৃজিত বলেন, বিয়ে তো অনেক দিন আগেই হয়ে গিয়েছে। আজ নিজের লোকেদের নিয়ে একটা গেট-টুগেদার ছিল। বিষয়টা তো আর বলেকয়ে হয় না। এটা ভবিতব্য ছিল তাই হয়েছে। আমাদের মধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কটা দর্শনের মধ্যে আটকে যায়নি। তা অনুসরণ করতে ভালো লাগছে।

বিয়ের সাজ কে ঠিক করে দিল? এমন প্রশ্নে সৃজিত বলেন, আমরা সবাই স্বাবলম্বী। নিজেরাই ডিসাইড করে নিয়েছি আজ কি পরবো।

এ সময় মিথিলা বলে ওঠেন, আমি কিন্তু সৃজিতকে বলেই ডিসাইড করে নিয়েছি আজ কি পরব। তাৎক্ষণিক উত্তর সৃজিতের- হ্যাঁ ঠিকই বলেছে, তবে শুধু পোশাকের রঙটা ঠিক করে নিয়েছিলাম। এবার থেকে কি একসঙ্গেই থাকা হবে? সৃজিত কিছু না বললেও মিথিলা জানান, এখন থেকে থাকবো না। কয় দিন পরে এক সঙ্গে থাকবো।

অনুষ্ঠানে তারকা দম্পতি সৃজিত মিথিলা অনুষ্ঠানস্থলে পৌছানোর আগেই  হাজির সঙ্গীত শিল্পী রুপঙ্কর বাগচী, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীসহ অনেকেই। এর পর ধীরে ধীরে আসেন কলকাতার তারকারা।

পার্টিতে খাবারের মেন্যু সৃজিত আর মিথিলাই ঠিক করেছেন। মেনুতে ছিলো পোলাও, ডাল মাখানি, পনির মাখানি, চিংড়ি মালাইকারি, ঠাকুরবাড়ির কষা মাংস- সহ আরও অনেক কিছু। সঙ্গে মিষ্টি দই, নলেন গুড়ের কাঁচাগোল্লাও ছিলো।

বাংলাদেশ থেকে মিথিলার পরিবারের প্রায় ৫০ জন সদস্য এই বৌভাত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে যোগ দেন বলে জানা গেছে।

By Abraham

Translate »