Advertisements

বিশ্বজুড়ে মহামারীর আকার পাওয়া নভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কোয়ারেন্টিনের শর্ত মেনে চলার পাশাপাশি মিথ্যা তথ্য দেওয়া বা গুজব রটিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

এ ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে কেউ ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন’ ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার অধিদপ্তরের জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিদেশ ফেরত কিছু প্রবাসী বা তাদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশিত ১৪ দিনের স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টাইনের শর্ত ঠিকভাবে পালন করছেন না।

“অনেকেই মিথ্যা তথ্য ও গুজব রটিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট সকলকে বর্ণিত আইন অনুযায়ী এবং নির্দেশিত পন্থায় যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানাচ্ছে। ব্যত্যয়ের ক্ষেত্রে আইনের সংশ্লিষ্ট শাস্তিমূলক ধারা প্রয়োগ করা হবে।”

ডিসেম্বরের শেষে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে ছড়াতে শুরু করা নভেল করোনাভাইরাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে ১১৮টি দেশ ও অঞ্চলে। বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে প্রায় সোয়া লাখে, মৃতের সংখ্যাও ৪ হাজার ৬০০ ছাড়িয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ‘মহামারী’ বলার পর বৃহস্পতিবার ‘জনস্বার্থে আইনের প্রয়োগ বিষয়ে এই ‘গণবিজ্ঞপ্তি’ জারি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ স্বাক্ষরিত ওই গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণকে একটি ‘বৈশ্বিক প্রাদুর্ভাব’ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশের চলমান প্রস্তুতি এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। জনসাধারণের আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নাই।

“তবু পরিবর্তনশীল বিশ্ব ও জাতীয় পরিস্থিতির আলোকে সর্বোচ্চ সতর্কতার অংশ হিসাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক ‘সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮’-এর কতিপয় ধারা প্রয়োগ করার প্রয়োজন হতে পারে।”

By Abraham

Translate »