Advertisements

চীনের ক্ষমতাসীন কম্যুনিস্ট পার্টির মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত দৈনিকটি দেশটির একজন সামরিক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এ আহ্বান জানায়। এতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিংয়ের দাবীকৃত এলাকায় চলাচলকারী মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজগুলোকে হটিয়ে দেয়ার জন্য এ ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করতে চীনের গণমুক্তি ফৌজের প্রতি আহ্বান জানান হয়।

চলতি মাসের ১০ তারিখ পর্যন্ত ওই সাগর দিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় দফা মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ যাতায়াত করার পর এ আহ্বান জানান হলো।

বারবার মার্কিন আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য নতুন পন্থা বেছে নিতে হবে বলে চীনা সামরিক বিশেষজ্ঞ সং জাওনংপিং জানান। এ সব পন্থার অন্যতম হতে পারে বিদ্যুৎচৌম্বকীয় বা লেসার অস্ত্র। এ জাতীয় অস্ত্র প্রয়োগে প্রাণহানির কোনও আশংকা নেই বলে একে  নন লেথাল বা ‘অ-মারণাস্ত্র’ও বলা হয়।

চীনা সামরিক বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, মার্কিন যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে গোলাগুলি ছোঁড়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। কারণ তাতে মার্কিনিরা পাল্টা জবাব দেবে এবং চীন-মার্কিন সংঘাতের সূচনা হবে। এ ছাড়া, ১৯৮৮ সালে কৃষ্ণসাগরে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুদ্ধজাহাজের ঘটনা থেকে বোঝা  যায় যে, মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে ধাক্কা দেয়া হলে তাতে কোনও সুফল পাওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, ‘অ-মারণাস্ত্রে’র প্রয়োগে শত্রু জাহাজের অস্ত্র ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সাময়িক ভাবে অচল হয়ে পড়বে।

গত মাসের ১৭ তারিখে দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর গোয়েন্দা বিমান পি-৮৪ লক্ষ্য করে লেসার অস্ত্র প্রয়োগের কথাও তুলে ধরেন সং। তিনি একে ভাল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, এ জাতীয় অস্ত্র আরও প্রয়োগ করা যেতে পারে।

দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ মোকাবেলায় বেইজিংয়ের প্রস্তুতি কয়েকগুণ বেড়েছে বলেই সং’এর বক্তব্যের ভিত্তিতে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

By Abraham

Translate »