Advertisements

চীনের হুবেইপ্রদেশের উহান শহর থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এই সংক্রমণে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ১৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। দিন দিন বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল।

এই ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো ওষুধ বা প্রতিষেধক এখনও উদ্ভাবন হয়নি। তবে প্রতিষেধক আবিষ্কারের জন্য দুরন্ত গতিতে গবেষণা চলছে। করোনার প্রতিষেধক তৈরির কাজ চলছে অন্তত ২০টির বেশি দেশে।

অনেক বিজ্ঞানী প্রাণী দেহে এই ওষুধের প্রয়োগ করছেন। এ বছরের শেষভাগের মধ্যে ফল পাওয়ার আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। তবে চলতি বছরের মধ্যে প্রতিষেধক আবিষ্কার করা হলেও বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন করার চ্যালেঞ্জ থেকেই যায়।

এই প্রতিষেধক কী সব বয়সের মানুষকে সুরক্ষা দেবে?

এই প্রতিষেধক বয়স্কদের ওপর প্রয়োগে খুব বেশি সফলতা আসবে না। কারণ সাধারণত বয়স্ক মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কম থাকায় প্রতিষেধকে বেশি কার্যকর হয় না।

এই প্রতিষেধকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী?

সব ধরনের ওষুধ ও ব্যথানাশকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে। তবে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ছাড়া একটি পরীক্ষামূলক প্রতিষেধকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা সম্ভব নয়।

প্রতিষেধক কাদের প্রয়োজন হবে?

প্রতিষেধক তৈরির পর তার জোগান হবে সীমিত । তাই প্রথম দিকে কাদের প্রতিষেধক দেয়া হবে তা নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।

যেসব স্বাস্থ্যকর্মী করোনা রোগীদের সংস্পর্শে আসবেন, তাদের সবার আগে প্রতিষেধক দেয়া হবে। আর এই ভাইরাস যেহেতু বয়স্ক মানুষের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ, তাই তাদেরও অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেয়া হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

By Abraham

Translate »