Advertisements

করোনাভাইরাসের প্রভাবে স্থবির হয়ে পড়া বিশ্বে মানুষের সহযোগির ভূমিকায় কার্যকরী হতে পারে রোবট। কর্মস্থলে জনসমাগম কমাতে এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি ও খরচ কমানোর জন্য বিকল্প হতে পারে এ মানব যন্ত্র।

সিনেমা নয়, বাস্তব জীবনেও মানুষের সহযোগীর ভূমিকায় কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার যন্ত্র রোবট। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব। ঝুঁকিতে পড়েছে অর্থনীতি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে কভিড-নাইনটিনের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে। এমন পরিস্থিতিতে রোবট হতে পারে মানুষের নিত্যদিনের কাজের সহযোগী।

লকডাউনে থাকা মানুষের দোরগোড়ায় পণ্য সামগ্রি পৌঁছে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ায় মানুষের বিকল্প হতে হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে রোবট। রয়েছে গৃহস্থলির কাজে মানুষকে সহযোগিতার সক্ষমতাও।

রোবটের মাধ্যমে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে খুব দ্রুত মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দিতে রোবট কার্যকরি ভূমিকা পালন করছে।

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় রোবটের মাধ্যমে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও থার্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে করা হচ্ছে মানুষের তাপমাত্র পরীক্ষা। এতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি কমছে। আইসোলেশানে থাকা রোগীর দেখা শোনা এবং তার কক্ষে রোবটের মাধ্যমে সেবা পৌঁছে দিয়ে ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকছে মানুষ।

একজন চিকিৎসক বলেন, আইসোলেশানে থাকা রোগীর দেখা শোনায় কোভিড-নাইনটিন সংক্রমণের ঝুঁকি কমাচ্ছে রোবট।

তবে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার এ যন্ত্রের রয়েছে অনেক সীমাবদ্ধতাও। সিদ্ধান্তগ্রহণ, আবেগহীনতা, মানবাধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রোবট সিদ্ধান্ত নিতে অক্ষম।

ইউনাইটেড ন্যাশানস ইউনিভার্সিটি সাইবার টেকনোলজি ফেলো ইলিউনার পাওয়েল বলেন, রোবট নিয়ে আমাদের আরও সুনির্দিষ্ট কিছু কাজ করতে হবে। রোবটে বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে। এগিয়ে যেতে হলে এগুলো মাথায় রাখতে হবে আমাদের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড-নাইনটিনের প্রতিরোধক বা প্রতিশেধক আবিষ্কার করা যদি সম্ভব হয়ও মৌসুমি ফ্লুয়ের মতো প্রকৃতিতে থেকেই যাবে করোনাভাইরাস। তাই কর্মক্ষেত্রে মানুষের সহযোগী হিসেবে রোবটের ব্যবহার বাড়ানো যেতে পারে।

By Abraham

Translate »