Advertisements

কিছুদিন আগেই এমন এক ঘটনা বাংলাদেশের ক্রিকেটকে ধাক্কা দিয়েছে। জুয়াড়িদের সঙ্গে কথোপকথনের খবর যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাননি সাকিব আল হাসান। ফলে বাংলাদেশের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ককে দুই বছরের (এক বছরের স্থগিত) নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এর চেয়েও বড় শাস্তি মিলেছে উমর আকমলের। স্পট ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও না জানানোয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আকমলকে।

এবারের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে হঠাৎ আকমলকে সাময়িক সময়ের জন্য সব ক্রিকেট কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করে পিসিবি। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও নাকি জানাননি কর্তৃপক্ষকে। এমনকি স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগও শোনা গিয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী দুটি ধারা ভাঙ্গার অভিযোগের তাঁর বিরুদ্ধে পিসিবির শৃঙ্খলা কমিটির চেয়ারম্যান বিচারপতি (অব.) ফজল-ই-মিরান চৌহানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটিই তাঁকে এ শাস্তি দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগেই পিসিবির বিরুদ্ধে কোনো আইনি লড়াইয়ে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শাস্তির মাত্রাটা কমিয়ে তিন বছর দেওয়া হয়েছে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে দূরে আছেন। পাকিস্তানের হয়ে ২২১টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই ব্যাটসম্যান সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলেছিলেন। কিন্তু টানা দুই ম্যাচে ব্যর্থতা তাঁকে বাংলাদেশ সিরিজ থেকে ছিটকে দেয়।

এর পরও সংবাদের শিরোনাম হয়েছেন। সবই নেতিবাচক কারণে। কখনো ভুল ইংরেজিতে টুইটারে পোস্ট করেছেন, কখনো দলের ট্রেনারের সঙ্গে ঝগড়া করে অনুশীলন ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছেন। এর আগে সব শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ পিসিবি অজ্ঞাত কারণে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখেছে। তবে এবার গুরুতর শাস্তিই জুটল তাঁর।

By Abraham

Translate »