Advertisements

সকালের খাবার রাতে বাড়ি ফিরে মাইক্রোওয়েভ আভেনে গরম করে আমরা প্রায় সবাই খেয়ে থাকি। মাইক্রোওয়েভে নিত্য নতুন পদ রান্না করায় সবাই সড়গড় না হলেও মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম আমাদের প্রতিদিনের রুটিনের মধ্যেই ঢুকে গিয়েছে। খাবার ঠিক যতটুকু গরম চাই, বোতাম টিপে ঠিক ততটুকুই গরম করে নেওয়ার জন্য এই যন্ত্র এখন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অঙ্গ।

মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জের মাধ্যমে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়িয়ে খাবার গরম করা বা রান্না করার কাজ করে এই মেশিন। তবে পেশাদার কুকদের মতে মাইক্রোওয়েভে রান্নায় তার আসল ফ্লেভার পাওয়া যায় না। তবে স্বাদ ছাড়াও মাইক্রোওয়েভের আরও দিকটি নিয়ে বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত, তা হল এর স্বাস্থ্যের দিকটি। নিয়মিত ভাবে মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবার খেলে স্বাস্থ্যের কি ক্ষতি হয়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

ভুল করেও এই খাবারগুলো মাইক্রোওয়েভে গরম করবেন না প্লিজ!

* মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে খাবারের পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মাইক্রোওয়েভে দীর্ঘ সময় ধরে গরম করে খাবারের ভিটামিন বি১২ নষ্ট হয়ে যায়।

* অনেকেই প্লাস্টিকের বাটিতে মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করে থাকেন। অনেক প্লাস্টিকেই লেখা থাকে মাইক্রোওয়েভ সেফ। কিন্তু মাইক্রোওয়েভ আভেনের ভেতরে কোনও মতেই প্লাস্টিক কন্টেনার ঢোকানো উচিত নয়। প্লাস্টিকের মধ্যে থাকে প্যাথালেটস নামে এক ধরনের রাসায়নিক। মাইক্রোওয়েভের গরমে এটি খাবারের সঙ্গে মিশে যায়। এই রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করলে হরমোনের সমস্যা, ইনসুলিন রেসিসট্যান্স, বন্ধ্যাত্ব, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করলে কাঁচ বা সেরামিকের বাটিতে করুন।

 

* খাবার গরম করার সময় মাইক্রোওয়েভে সব জায়গায় সমান ভাবে তাপ পৌঁছয় না। তাই তাপের কারণে যে সব ব্যাকটিরিয়া মরে যায়, সেগুলি খাবারের সব জায়গা থেকে সম্পূর্ণ ভাবে নির্মূল হয় না। এই সব ব্যাকটিরিয়া শরীরে প্রবেশ করে নানা রকম সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

* তবে মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবারে রেডিয়েশন থাকতে পারে বলে অনেকে যে মনে করেন, সেটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। মাইক্রোওয়েভের রেডিয়েশন সুইচ অফ করার সঙ্গে সঙ্গেই বন্ধ হয়ে যায়।

তাই মাইক্রোওয়েভে গরম করা খাবার আপনি খেতেই পারেন। শুধু সঠিক বাসন বেছে নিন।

Translate »