Advertisements

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। এ নিয়ে মোট ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। 

সাক্ষীরা হলেন- পুলিশ পরিদর্শক তপন চন্দ্র শাহ, এএসআই রবিউল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম ও হাসান মাহমুদ।

এর আগে গতকাল রবিবার সাহেদের বিরুদ্ধে এডিসি বদরুজ্জামান, এসআই কবির হোসেন, জৈনক চান মিয়া ও নিজামুল সাক্ষ্য দেন। এদিন মামলার বাদী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক এস এম গাফফারুল আলমকে আসামি পক্ষের আইনজীবী জেরা করেন। গত ১০ সেপ্টেম্বর মামলার বাদীর সাক্ষ্য শেষ হলেও জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত বাকি জেরা ও অপর সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

এদিকে, গত ২৭ আগস্ট সাহেদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। গত ১৯ আগস্ট মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন। এরপর মামলার নথি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করেন। এর আগে ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল আসামি সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় গত ২৬ জুলাই তাকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর গত ১৯ জুলাই তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। সেখান থেকে সাহেদের গাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।

Leave a Reply

Translate »