Advertisements

উত্তর সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়ার সেনাদের মধ্যে সম্প্রতি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে চার মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সামরিক যানের সংঘর্ষের পর তারা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ ঘটনার পর সিরিয়ায় বাড়তি সেনা এবং সাজোয়া যান মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এ বিষয়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন বিল আরবান জানান, সিরিয়ায় আমেরিকান এবং যৌথ বাহিনীকে বাড়তি সুরক্ষা দিতেই এমন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড’র এক মুখপাত্র শুক্রবার বলেন, ‘সিরিয়ায় অন্য কোনো দেশের অবস্থান করা বাহিনীর সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র।
সরাসরি রাশিয়ার নাম এ মার্কিন কর্মকর্তা উল্লেখ না করলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, উত্তরপূর্ব সিরিয়ায় সেনা মোতায়েন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা মস্কোকে স্পষ্ট করে পারষ্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাত কমিয়ে আনার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা মেনে চলার কথা বলছি। সেখানে রাশিয়া এবং অন্যান্য দলগুলো অপেশাদার, অনিরাপদ এবং উসকানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।
সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলে এখনো প্রায় পাঁচশ’ মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। সেখানে আইএসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দি বাহিনীকে সহায়তা করছে বলে দাবি তাদের। এর মধ্যে সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলের রুশ সেনাদের দমিয়ে রাখতে অতিরিক্ত সেনা এবং সাজোয়া যান মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।আমেরিকার এ ধরনের পদক্ষেপের এখনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মস্কো।

এদিকে সম্প্রতি ইরানি সংবাদমাধ্যম পার্সটুডের খবরে বলা হয়েছে, তাল আমর এলাকায় রাশিয়া এবং মার্কিন সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর তাদের সামরিক যানগুলো দু’দিকে চলে যায়। তবে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর ওই এলাকায় রাশিয়ার যুদ্ধ হেলিকপ্টার এবং মার্কিন যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা যায়। এ ব্যাপারে মস্কো টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, তাল আমর এলাকার তেল খনি থেকে মার্কিন সেনারা তেল চুরি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। রাশিয়ার সেনাবাহিনী ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে মহাসড়কে তাদের গতিরোধ করে মার্কিন সেনারা। ফলে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে যুদ্ধ হেলিকপ্টার ও বিমান চলে আসে।

Translate »