Advertisements

একটি দীর্ঘস্থায়ী বন্যার প্রকোপ শেষ হওয়ার আগেই আবার পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। আজ তিনটি নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে উঠেছে। এ নিয়ে সাতটি নদীর পানি সাত পয়েন্টে বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আজ রবিবার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এই সময়ে বিপদসীমার নিচে নেমেছে একটি নদীর পানি।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যমতে, যমুনেশ্বরী নদীর পানি বদরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, করতোয়া নদীর পানি চকরহিমপুর পয়েন্টে চার সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং টাঙ্গন নদীর পানি ঠাকুরগাঁও পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় যদুকাটা নদীর পানি লরেরগড় পয়েন্টে বিপদসীমার নিচে নেমেছে। আর কমছে যমুনার নদীর পানি।

বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত অন্য চারটি নদীর মধ্যে ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে, যমুনা নদীর পানি সারিয়াকান্দি পয়েন্টে তিন সেন্টিমিন্টার, গুড় নদীর পানি সিংড়া পয়েন্টে ৭০ সেন্টিমিটার এবং আত্রাই নদীর পানি আত্রাই পয়েন্টে বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র, গঙ্গা ও পদ্মার পানি বাড়তে পারে বলে নদনদীর পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উজান মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদীর পানি বাড়ছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল থাকতে পারে।

এদিকে শনিবার সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টি হয়েছে পঞ্চগড়ে ৩১৫ মিলিমিটার, রংপুরে ২৬৫, ডালিয়ায় ২৫৫, কুড়িগ্রামে ১৫৬, লালাখালে ১৪১, দিনাজপুরে ১২৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১২০, কাউনিয়ায় ৭৮, মহাদেবপুরে ৬০, চিলমারীতে ৪৭, সিলেটে ৫০ ও জাফলংয়ে ৮৮ মিলিমিটার।

 

Translate »