Advertisements

দুর্গাপুজো, দীপাবলি। আর তার পরেই শীতের আগমন। গ্রীষ্মপ্রধান এই দেশ শীতকালে কয়েকটা দিনের শীতল স্পর্শের জন্য় উন্মুখ হয়ে থাকে। কিন্তু এবারের পরিস্থিতিটা আলাদা। শীতকালে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়বে বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। শীত আসার আগে করোনার হামলা থেকে নিজেকে ও নিজের কাছের মানুষদের বাঁচাতে প্রস্তুতি নিয়েছেন তো আপনি। জেনে নিন, কী ভাবে শীতকালে করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে হবে।

আগে মনে করা হয়েছিল যে তীব্র গরম পড়লে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমবে। চড়া তাপমাত্রায় করোনাভাইরাসের কার্যকরী ক্ষমতা কমে যাবে বলে আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু বাস্তবে এমনটা দেখা যায়নি। জুন জুলাই মাসের গরমেও দিব্যি জাঁকিয়ে ছিল করোনাভাইরাস। শীতকালে এই সংক্রমণ আরও তীব্র হবে, তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে যাঁদের নিশ্বাসের কষ্ট আছে, শীতে তাঁদের সেই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। আর করোনাভাইরাসও আমাদের শ্বাসনালীতে আক্রমণ করে। তাই শীতকালে এদের বিশেষ সাবধান থাকা জরুরি।

 

নিরাপদ এবং যথেষ্ট কার্যকরী করোনা ভ্যাকসিন বাজারে আসতে আসতে ২০২১-এর মার্চ মাস হয়ে যাবে বলে এখনও পর্যন্ত মনে করা হচ্ছে। তার মানে গোটা শীতকালটা করোনা ভ্যাকসিন ছাড়াই আমাদের কাটাতে হবে। সর্দি-কাশির ধাত যাঁদের, তাঁদের একসঙ্গে করোনা এবং ইনফ্ল‌ুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং সেটা হলে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হতে পারে।

 

শীতকালে যে কোনও ভাইরাস বেশি সময় পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। রুক্ষ শীতল আবহাওয়া ভাইরাসকে বেশি কার্যক্ষম করে তোলে। সেই কারণে শীতকালে শ্বাসকষ্টের সমস্য়া বেড়ে যায়। সূর্যালোক হালকা থাকায় ভাইরাস বাড়বাড়ন্ত থাকে। সূর্যালোকের অভাবে শরীরে ভিটামিন ডি-র মাত্রা কমে এবং রোগ প্রতিরোধ শক্তি কমে আসে। তাই শীতকালে করোনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

 

এখন কথা হচ্ছে শীতকালে করোনার বিরুদ্ধে কী ভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন? শীতের আগে ফ্ল‌ু ভ্যাকসিন নিয়ে রাখুন। রোগ প্রতিরোধ শক্তি যতটা সম্ভব বাড়ানোর চেষ্টা করুন। ইমিউনিটি বাড়বে এই ধরনের খাবার দাবার খাওয়া শুরু করুন। লকডাউনেপ কড়াকড়ি অনেকটা শিথিল হয়েছে এই ভেবে সব করোনা সতর্কতা ভুলে যাবেন না। সামাজিক দূরত্ব পালন করুন, বাইরে বেরোলে নাক-মুখ অবশ্যই ঢেকে বেরোন। ভিটামিন সি জাতীয় খাবার বেশি করে খান। দিনে অন্তত দু-বার গরম জলে নুন মিশিলে গার্গল করুন।

 

Translate »