Advertisements

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ও বরখাস্তকৃত এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে খুঁজছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার পর পলাতক আকবর যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না পারেন, সেই জন্য সব স্থল, বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশনে চিঠি দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিতে অবস্থিত পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির প্রধান ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার বলেন, গত পরশুদিন রাতে সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ঘটনার ডকুমেন্ট ((সাক্ষ্য-প্রমাণ ও তথ্যের নথি)) আমরা পেয়েছি। ঘটনাস্থলে তিন থেকে চার ঘণ্টা সিলেটের পিবিআইয়ের টিম ছিল। তদন্ত শুরু করে দিয়েছি। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, সাময়িক বরখাস্ত হওয়া এসআই আকবরকে ধরা খুবই প্রয়োজন।

তিনি বলেন, আকবর দেশ ছেড়ে না পালানোর জন্য সমগ্র ইমিগ্রেশনে আমরা জানিয়েছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও সীমান্তের বিভিন্ন ইমিগ্রেশন সেন্টারে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তাকে ধরার জন্য আমরা টিম রেডি করেছি।

ডিআইজি বনজ কুমার মজুমদার আরও বলেন, আইজিপি স্যার সবসময় আমাদের বলেন, করোনাকালে তোমরা যে সুনাম অর্জন করেছে তা আকাম করে নষ্ট করো না। আকবর এই অপকর্ম করে বাহিনীর সুনাম নষ্ট করেছে। সে আমাদের কথা চিন্তা করে নাই, সুতরাং তার বিষয়ে কোনো চিন্তা করার সুযোগ আমাদের নেই।

হত্যাকাণ্ডের কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখছি। একদিনেই সবকিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে নিহত রায়হান উদ্দিনের মরদেহ পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে। বুধবার সকাল ৯টায় আখালিয়া এলাকার নবাবী মসজিদের পঞ্চায়েত গোরস্থান থেকে মরদেহটি তোলা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিসবাহ উদ্দিন ও সজিব আহমদের নেতৃত্বে মরদেহ তোলার কাজ শুরু করে পিবিআইয়ের একটি দল। পরে মরদেহটি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের মর্গে নেয়া হয়।

Leave a Reply

Translate »