Advertisements

জয়ের জন্য লক্ষ্য হচ্ছে ১৬৩ রান। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ৬ উইকেট হারিয়ে সেই ১৬৩ রানই সংগ্রহ করলো। ম্যাচ হয়ে গেলো টাই। জয়-পরাজয় নির্ধারণে বাধ্য হয়েই যেতে হলো সুপার ওভারে।

সেখানেই বাজিমাত করে দিলো কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলাররা। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ডের পেসার লকি ফার্গুসন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটসম্যানদের দিলেন মাত্র ২ রান। জয়ের জন্য লক্ষ্য কেবল ৩ রান। খুব সহজেই রশিদ খানের কাছ থেকে সেই তিন রান তুলে নিলেন ইয়ন মরগ্যান এবং দিনেশ কার্তিক।

এই জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে চতুর্থ স্থানটা নিরঙ্কুশ হলো কেকেআরের। ৯ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে তারা চারেই রইলো। ৬ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে রইলো সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রথম লেগের পর দ্বিতীয় লেগেও কেকেআরের কাছে হারল সানরাইজার্স।

শেষ মুহূর্তে কেকেআরের জয়ের নায়ক হচ্ছেন লকি ফার্গুসন। প্রথম বলেই তিনি ফিরিয়ে দেন ডেভিড ওয়ার্নারকে। সরাসরি বোল্ড করে দেন তিনি। এরপর মাঠে নামেন আবদুল সামাদ। অন্য প্রান্তে ছিলেন জনি বেয়ারেস্ট। মাঠে নেমেই ২ রান নেন সামাদ। কিন্তু পরের বলেই বোল্ড হয়ে যান আবদুল সামাদ। ৩ বলেই শেষ হায়দরাবাদের ইনিংস।

৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বল রশিদ খানের কাছ থেকে কোনো রানই নেননি ইয়ন মরগ্যান। পরের বলে নিলেন এক রান। তৃতীয় বলে কোনো রান নেননি দিনেশ কার্তিক। চতুর্থ বলে হলো ২ রান। অতিরিক্ত থেকেই এলো এই ২ রান।

প্রথম লেগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যাটিং করে হেরেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তাই রোববার শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে নাইটদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার। ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদকে ১৬৪ রানের লক্ষ্য দেয় কলকাতা নাইট রাইডার্স।

নাইটদের বিরুদ্ধে ১৬৪ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করে দুই ওপেনার জনি বেয়ারেস্টো এবং কেন উইলিয়ামসন। টুর্নামেন্টে প্রথমবার ওপেন করতে নেমে সফল উইলিয়ামসন। ওপেনিং জুটিতে ৬.১ ওভারে ৫৮ রান তোলে সানরাইজার্স। টুর্নামেন্টে প্রথমবার সুযোগ পাওয়া লকি ফার্গুসন নাইটদের প্রথম ব্রেক-থ্রু এনে দেন। ১৯ বলে ২৯ রান করে ফার্গুসনের বলে ডাগ-আউটে ফেরেন উইলিয়ামসন।

নিজের দ্বিতীয় ওভারে প্রিয়ম গর্গের উইকেট তুলে নিয়ে নাইটদের ম্যাচে ফেরান ফার্গুসন। এরপর ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে ওঠা বেয়ারস্টোকে ফেরান বরুণ চক্রবর্তি। ২৮ বলে ৩৬ রান করেন বেয়ারস্টো। নিজের তৃতীয় ওভারে ফের একটি তুলে নেন ফার্গুসন। ব্যক্তিগত ৬ রানে মানিশ পাণ্ডেকে বোল্ড করেন তিনি। প্রথম স্পেলে স্বপ্নের বোলিং করেন নাইটদের এই কিউই অল-রাউন্ডার। ৩ ওভারে মাত্র ৮ রান খরচ করে তিনটি উইকেট তুলে নেন ফার্গুসন।

এরপর হায়দরাবাদ ইনিংসের হাল ধরেন ক্যাপ্টেন ওয়ার্নার। নিজেকে ওপেন থেকে সরিয়ে এদিন চার নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়ার সম্ভাবনা ছিল ওয়ার্নারের; কিন্তু শেষ বলে জয়ের জন্য ২ করতে না- পারায় ম্যাচ টাই হয়ে যায়৷ অর্থাৎ ফের সুপার ওভারে গড়াল ম্যাচ৷ ৩৩ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন সানরাইজার্স ক্যাপ্টেন।

By Abraham

Leave a Reply

Translate »