Advertisements

পুরুষ কর্তৃক নারীর প্রতি অশালীন আচরণ ও ইঙ্গিতকে আইনের পরিভাষায় ইভটিজিং বলে। এর অনেকগুলো ধরণ আছে। বাংলাদেশের আইনে ইভটিজিংয়ের শাস্তি অনেক কঠোর এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার হয়ে থাকে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক নারীই বিশেষ করে অল্প বয়সী মেয়েরা ইভটিজিংয়ের শিকার হলে চরম হতাশ হয়ে পড়ে এবং জীবনের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতেও তারা দ্বিধা করে না। কিন্তু ইভটিজিংয়ের শিকার হলে প্রথম করণীয় হলো আইনের আশ্রয় নেওয়া।

ইভটিজিং কী, তা জানাও জরুরি। নিচে এমন ১৮ ধরনের আচরণ উল্লেখ করা হলো যা ইভটিজিংয়ের মধ্যে পড়ে।

১. অশালীন মন্তব্য করা

২. ভয় দেখানো

৩. নাম ধরে ডাকা বা চিৎকার করা

৪. বিকৃত নামে ডাকা

৫. কোনো কিছু ছুড়ে দেওয়া

৬. ব্যাক্তিত্বে বাধে এমন মন্তব্য করা

৭. ধিক্কার দেয়া

৮. যোগ্যতা নিয়ে টিটকারী করা

৯. অহেতুক হাসাহাসি করা,

১০. হাঁটতে হাঁটতে ধাক্কা দেয়া,

১১. অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করা,

১২. ইঙ্গিতপূর্ণ ইশারা দেয়া,

১৩. সিগারেটের ধোঁয়া গায়ে ছাড়া,

১৪. উদ্দেশ্যমূলকভাবে পিছু নেয়া,

১৫. উদ্দেশ্যমূলকভাবে গান, ছড়া বা কবিতা আবৃত্তি করা,

১৬. চিঠি লেখা,

১৭. পথ আটকে দাঁড়ানো,

১৮. যেকোনো ধরণের হুমকি দেয়া।

কোনো নারী বা কিশোরীকে তার স্বাভাবিক কাজ-কর্ম, চলাফেরার সময় কোনো পুরুষ বা কিশোর যদি তাকে বিরক্ত বা উত্যক্ত করার লক্ষ্যে উপরের কোনো একটি কাজ করে তাহলে তা ইভিটিজিং বলে গণ্য হবে।

করণীয়

কোনো নারী বা কিশোরী যদি ইভটিজিংয়ের শিকার হয়, তার প্রথম করণীয় হলো নিকটস্থ থানায় গিয়ে কর্তব্যরত অফিসারকে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে জানানো এবং একটি সাধারণ ডায়েরি লিখিয়ে নেওয়া। কোনো কারণে যদি থানায় ডাইরি করা না যায় কিংবা ডাইরি নেওয়া না হয় তাহলে সরাসরি আদালতে উপস্থিত হয়ে অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে।

তাছাড়া আশেপাশে ভ্রাম্যমান আদালত দায়িত্বরত থাকলে সেখানে কর্তব্যরত ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি ঘটনার তদন্ত করে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবেন।

Translate »