Advertisements

যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি করে বেকায়দায় পড়েছে আর্মেনিয়ার সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের পদত্যাগের দাবিতে আজও সেদেশের রাজধানী ইয়েরেভানে বিক্ষোভ হয়েছে। তারা রাশিয়ার মধ্যস্থতায় আজারবাইজানের সঙ্গে শান্তিচুক্তিকে আত্মসমর্পণ হিসেবে মনে করছে।

গতকাল শান্তিচুক্তির শর্তগুলো শোনার পরপরই ক্ষোভে রাস্তায় নামে আর্মেনীয়রা। রাজধানী ইয়েরেভানের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেয়। সরকারি দপ্তরে ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। আর্মেনিয়ার সংসদ ভবনে ঢুকেও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা।

গতকাল শান্তিচুক্তি সইয়ের পর পাশিনিয়ান বলেছেন, শান্তিচুক্তিতে সই না করলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতো। এই চুক্তি আর্মেনিয়ার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

আজারবাইজানের হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে শান্তিচুক্তিতে সই করে আর্মেনিয়া। আজারবাইজানের কাছ থেকে এর আগে দখলে নেওয়া ভূখণ্ড থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে রাজি হয়েছে দেশটি।

নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর দুই দেশের মধ্যে নতুনকরে সংঘর্ষ শুরু হয়। নাগরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃত।

এবারের যুদ্ধে আজারবাইজানের হামলায় আর্মেনিয়ার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান দুই দেশের শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে

By Abraham

Translate »