Advertisements

জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি কর্নেল (অব.) শওকত আলী ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তিনি এক ছেলে এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

সোমবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার ছেলে খালেদ শওকত আলী গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শওকত আলী কিডনি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় গত ৫ নভেম্বর থেকে তিনি সিএমএইচে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

শওকত আলী শরীয়তপুর-২ আসন থেকে ছয়বার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পাকিস্তান আমলে ১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা করা হয়েছিল, তাতে শওকত আলীকেও আসামি করা হয়। তিনি মুক্তিসংহতি পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং ৭১ ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা।

জাতীয় সংসদের পরিচালক (জনসংযোগ) তারিক মাহমুদ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন, সোমবার বাদ মাগরিব শওকত আলীর জানাজা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বেলা ৩টায় শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ জাতীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সশস্ত্র বাহিনীর হেলিকপ্টারে তার মরদেহ শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নেয়া হবে। সেখানে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ নড়িয়া শহীদ মিনারে রাখা হবে। বাদ জোহর নড়িয়া বি এল উচ্চ বিদ্যালয়ে জানাজা শেষে নিজ বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়ায় অবস্থিত স্বাধীনতা ভবনে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে বঙ্গবন্ধুর এই সহচরকে।

এদিকে শওকত আলীর মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

Translate »