ফাইনালের আগে আর্সেনালের কাছে হারলো চেলসি

Advertisements

খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারল না কোনো দলই। জর্জিনিয়োর হাস্যকর এক ভুল গড়ে দিল ব্যবধান। চেলসিকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল আর্সেনাল।

স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে বুধবার রাতে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি এমিল স্মিথের একমাত্র গোলে জিতেছে মিকেল আর্তেতার দল।

২০০৩-০৪ মৌসুমের পর এই প্রথম লিগে দুই দেখাতেই চেলসিকে হারাল আর্সেনাল। গত ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে জিতেছিল দলটি। ১৭ বছর আগের সেই মৌসুমে লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্সেনাল।

একাদশ মিনিটে চেলসিকে এগিয়ে নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পান কাই হাভার্টজ। মাঝমাঠের কাছাকাছি থেকে বল নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। সামনে একমাত্র বাধা ছিল গোলরক্ষক; কিন্তু উড়িয়ে মেরে হতাশ করেন জার্মান মিডফিল্ডার।

জর্জিনিয়োর মারাত্মক ভুলে ষোড়শ মিনিটে গোল হজম করে স্বাগতিকরা। গোলরক্ষকের দিকে না তাকিয়েই ব্যাক পাস দেন ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত ইতালিয়ান এই ডিফেন্ডার। কেপা আরিসাবালাগা পোস্ট ছেড়ে বাঁ দিকে সরে থাকায় সেটিই জড়িয়ে যাচ্ছিল জালে।

ছুটে গিয়ে ডাইভ দিয়ে গোল লাইন থেকে আরিসাবালাগা বল ফিরিয়ে দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াংয়ের পাসে ছয় গজ বক্সের সামনে থেকে ঠিকানা খুঁজে নেন এমিল স্মিথ।

২৮তম মিনিটে হাভার্টজের শট ঠেকিয়ে জাল অক্ষত রাখেন আর্সেনাল গোলরক্ষক বার্নড লেনো। ৬১তম মিনিটে ক্রিস্টিয়ান পুলিসিক কাছ থেকে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি।

শেষ দিকে ভাগ্যের ফেরে সমতাসূচক গোল পায়নি চেলসি। কুর্ত জুমার হেড লেনোর হাত ছুঁয়ে ক্রসবারে লাগে। ফিরতি বলে অলিভিয়ে জিরুদের শটও ক্রসবারে বাধা পায়।

৩৬ ম্যাচে ১৬ জয় ও সাত ড্রয়ে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে আর্সেনাল। দলটির শীর্ষ চারের আশা শেষ হয়ে গেছে আগেই। তবে পাঁচে থেকে আগামী মৌসুমে ইউরোপা লিগে জায়গা করে নেওয়ার সম্ভাবনা টিকে আছে।

চেলসির লড়াইটা চারে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জায়গা করে নেওয়ার। ৩৬ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতো চার নম্বরে আছে টমাস টুখেলের দল। ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে তিনে লেস্টার সিটি।

৩৫ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সমান ম্যাচে ৮০ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় এরই মধ্যে শিরোপা জেতা ম্যানচেস্টার সিটি।