আরব বিশ্বের প্রথম নারী নভোচারী

Advertisements

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে শিগগিরই অবশ্য কোনো মহাকাশ মিশন পরিচালিত হচ্ছে না। তবে মাতরুসি আশা করছেন, একদিন তাঁর মহাকাশ ভ্রমণের স্বপ্ন পূরণ হবে।

মাতরুসি বলেন, ‘আমার মায়ের পরিবারের পক্ষের লোকজন নাবিক। তাঁরা সমুদ্রে অভিযান চালিয়েছেন। অ্যাস্ট্রোনটের গ্রিক অর্থ নক্ষত্রের নাবিক।’

মাতরুসির সঙ্গে নভোচারী প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির আরেক যুবক মোহাম্মদ আল-মুল্লা (৩৩)। তাঁরা দুজন এ বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন এবং নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে প্রশিক্ষণ নেবেন। এখন নভোচারী হিসেবে তাঁরা দেশটির অন্য নভোচারীদের সঙ্গে কাজ করছেন। বর্তমানে আকাশে ওড়ার প্রশিক্ষণ নেওয়া ছাড়াও রুশ ভাষা শিখছেন দুজন।

মহাকাশ অভিযাত্রার ক্ষেত্রে নবীন দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে দ্রুত দেশটি এ ক্ষেত্রে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে তেলসমৃদ্ধ দেশটি প্রথম কোনো নভোচারীকে আট দিনের মিশনে সয়ুজ রকেটে করে মহাকাশে পাঠায়।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশটির পাঠানো মনুষ্যবিহীন ‘হোপ’ নামের একটি নভোযান সফলভাবে মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে প্রবেশ করে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে আবুধাবির পক্ষ থেকে ২০২৪ সালে চাঁদে মনুষ্যবিহীন রোবট পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

নিজের লক্ষ্য অর্জন প্রসঙ্গে মাতরুসি বলেন, ‘আমি যদি পারি, তবে আপনিও পারবেন। কেউ যদি আপনার আগে তা করে না থাকে, তবে সবার আগে আপনি তা করে ফেলুন।’
মাতরুসি আরও বলেন, ‘আপনি কী করছেন, সে সম্পর্কে যদি সত্যিই আগ্রহী হন, তবে তা নিয়ে কঠোর পরিশ্রম করুন এবং সুযোগের সন্ধান করুন।’