নগরবাসীর আতঙ্ক করোনা, ডেঙ্গু না সাধারণ ফ্লু!

Advertisements

করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডেঙ্গু। গেল ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ জন। সরকারি হিসেবেই এ পর্যন্ত রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ৪৭০ জন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন প্রায় ৪শ’ ডেঙ্গু রোগী। জনবল বাড়িয়ে এডিস মশা নিধনে কাজ করার কথা জানিয়েছে দুই সিটি করপোরেশন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রকোপ বাড়ার পর নয় মৌসুম শুরুর আগেই প্রস্তুতি নিলে ডেঙ্গু মোকাবিলা সহজ হতো।

জ্বর আসলেই আতঙ্কে থাকেন নগরবাসী। করোনা, ডেঙ্গু না সাধারণ ফ্লু-তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে মানুষের মধ্যে। চিকিৎসকের কাছে গেলেই শুনতে হয় করোনা ও ডেঙ্গু পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে আসার কথা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেন, রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডেই পাওয়া যাচ্ছে এডিসের লার্ভা। কোথাও কোথাও মশাটির ঘনত্ব বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। জুলাই এর চেয়ে আগস্টে রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে।

ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ার খবরে মশা মারতে নেমেছে দুই সিটি করপোরেশন। অসময়ে মশা মারার পদক্ষেপ যে কাজে আসেনি তার প্রমাণ আক্রান্ত বাড়ার এই পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, জুলাই মাসের তিন সপ্তাহে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০৬ জন।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ বলেন, জনবল বাড়িয়ে মশা নিধনে কাজ করা হচ্ছে। শিগগিরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী রোববার আমাদের আরও ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যোগদান করার পরে আমরা মানুষের বাড়ির আঙ্গিনায় ঢুকবো।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ডেঙ্গু নিধনে চালানো চিরুনি অভিযান ঈদের পরিচ্ছন্নতার কারণে কিছুটা বাধাগ্রস্ত হলেও ফের শুরু হচ্ছে মশা মারার কার্যক্রম।

তিনি আরও বলেন, ৪৪টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে আমরা বিনামূল্যে ডেঙ্গু টেস্টের দিয়ে দিয়েছি।

এডিস মশার লার্ভার অর্ধেকই বাড়ির ভেতরে জমা পানিতে জন্ম নেওয়ায় ভবন মালিক সমিতির সহযোগিতা চাইলেন দুই সিটি কর্তৃপক্ষ।