গোলমেশিনদের মিশন শুরু আজ

Advertisements

একটি করে মাস, বছর চলে যায় ক্যালেন্ডারের পাতা ঘুরে। চলে যায় একটি করে ফুটবল পঞ্জিকাবর্ষ। তারকা-মহাতারকাদের পাশে যোগ হয় গোলের পর গোল করে চলার রেকর্ড। মেসি, রোনালদো, লেভান্ডোভস্কি, হালান্ড, এমবাপে- গোলবন্যায় মুগ্ধ করে রাখেন ফুটবলপ্রেমীদের।

এটি সেই পাঁচ গোলমেশিনের গল্প। যারা ২০২১-এর চলতি মাস পর্যন্ত অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে। যারা বছরের সর্বোচ্চ গোলকারীর দৌড়ে ভালোমতোই টক্কর দেবেন একে অপরকে।

দৌড়ে এখন পর্যন্ত নেতৃত্ব দিচ্ছেন বায়ার্ন মিউনিখের পোলিশ তারকা রবার্ট লেভান্ডোভস্কি। চলতি বছরে ৪৫বার প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে নিয়েছেন তিনি। বুন্দেসলিগার নতুন মৌসুমেও গোলচাকা অব্যাহত আছে লেভার পা থেকে, প্রথম চার ম্যাচে ছয়বার জালের দেখা পেয়েছেন। পোল্যান্ডের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে করেছেন একাধিক গোল।

পরের নামটি বুন্দেসলিগারই আরেক ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের নরওয়েজিয়ান সেনসেশন আর্লিও হালান্ডের। নরওয়ে ও বরুশিয়ার হয়ে ৩৮ গোল করে দুইয়ে আছেন তিনি। ২১ বর্ষী তারকা লিগের নতুন মৌসুমে সবশেষ চার ম্যাচে পাঁচ গোল করেছেন।

তালিকার তিনে লিওনেল মেসি। বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে যেয়ে অর্ধেকটা ম্যাচ খেলেছেন সবে, নতুন ক্লাবের জার্সিতে এখনও গোল পাননি। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ বাছাইয়ে শেষ ম্যাচটিতে করেছেন হ্যাটট্রিক, বলিভিয়ার বিপক্ষে। এবছর ক্লাব ও জাতীয় দল আলবিসেলেস্তেদের জার্সিতে ৩৬ গোল হয়ে গেছে তবুও।

মেসির পরে তার পিএসজি সতীর্থ কাইলিয়ান এমবাপে। ক্লাব ও জাতীয় দল নিয়ে সেরার দৌড়ে ৩৩ গোল করে বসে আছেন ফরাসিদের বিশ্বকাপজয়ী তরুণ সেনসেশন। পিএসজির নতুন মৌসুমে চার ম্যাচে তিন গোল করেছেন। ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কয়েকটি ম্যাচে নামতে পারেননি চোটের কারণে।

পাঁচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। জুভেন্টাস থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরে গত রাতে অভিষেকে করেছেন জোড়া গোল। পর্তুগালের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে তো গোল আছেই। সবমিলিয়ে এবছর ক্লাব ও জাতীয় দল জার্সিতে সিআর সেভেনের পাশে ৩১ গোল জমা হয়েছে। ইরানের আলি দাইয়িকে টপকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোনো দলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের (১১১) রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন সম্প্রতি।

২০২১ সালে এখনও সাড়ে তিন মাস বাকি। ক্লাবের লিগ দৌড়, ক্লাব কাপের লড়াই, চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চ, জাতীয় দলের বিশ্বকাপ বাছাই, অনেক ফুটবল বাকি বছরজুড়ে। এ পাঁচ তারকা বছর শেষ হতে হতে নিজেকে কোন উচ্চতায় তুলে নেন, বছরের সর্বোচ্চ শিকারী কে হন, সেটা দেখার পথে উপভোগের থাকছে অসংখ্য ফুটবলীয় রোমাঞ্চই।

Leave a Reply