মুখ্যমন্ত্রী হতে আর কোনো বাধা থাকলো না মমতার

Advertisements
মুখ্যমন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে ব্যাপক ব্যবধানে জয় পেয়েছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। রেকর্ড ৫৮ হাজার ৩৮৯ ভোটের ব্যবধানে জয় পান তিনি।

তুখোড় এই নেতার সঙ্গে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের লড়াইটা অনেকটা অসম মনে হলেও ছিল টানটান উত্তেজনা। ভোট গণনার ২১ রাউন্ডের সবগুলোতেই সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের চেয়ে ৫০ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে থেকে পশ্চিমবঙ্গে নিজের তুমুল জনপ্রিয়তার পরিচয়ই দিলেন আরেকবার।

সকাল ৮ টা থেকে শুরু হয় ভোট গণনা। ২১ রাউন্ডের সবগুলোতেই সবচেয়ে বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের চেয়ে ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন তিনি।

এর আগে ৩০শে সেপ্টেম্বরের উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নামেন মমতা। নির্বাচনে ভোট পড়ে ৫৫ শতাংশের কিছু বেশি। এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মমতার বিজয় উদযাপনে মেতে উঠেছেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।

চলতি বছরের মার্চে বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম আসনে লড়েছিলেন মমতা। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় সংবিধান অনুযায়ী ছয়মাসের মধ্যে মমতাকে জিতে আসতে হবে যেকোন আসন থেকে।

এরই প্রেক্ষিতে ভবানীপুর আসন থেকে পদত্যাগ করেন তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই ৩০শে সেপ্টেম্বর উপ-নির্বাচনে লড়ছেন মমতা। এদিকে, ভবানীপুর ছাড়া জঙ্গিপুর ও সমশেরগঞ্জ আসনেও জয় পেয়েছে তৃনমূল কংগ্রেস।

উপ-নির্বাচনের প্রচারণায় মমতা জানিয়েছিলেন, ভবানীপুরের জয় নিয়ে ভারত জয়ে নামবেন তিনি। তাই এই নির্বাচনের জয় মমতার ভারত জয়ের শুরুরই ইঙ্গিত হতে পারে।