দুর্দান্ত নেইমার, অপরাজেয় ব্রাজিল

Advertisements

নেইমারের আলো ছড়ানোর ম্যাচে আলো ছড়িয়েছেন লিডস ইউনাইটেডের উইঙ্গার রাফিনহা। গ্যাব্রিয়েল জেসুস, রিচার্লিসন, এভেরতন রিবেইরো, এভেরতন সোয়ারেস, কুতিনিও, রবার্তো ফিরমিনোদের কারণে জাতীয় দলে তেমন সুযোগ না পেলেও তিনি যে হলুদ জার্সি পরে নেইমারদের পাশে খেলার যোগ্যতা রাখেন, ক্লাব ক্যারিয়ারে গত এক বছরে সেটা বহুবার প্রমাণ করেছেন রাফিনহা।

৪-৪-২ ছকে আজ মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল। যে ছকটা ক্ষণে ক্ষণেই ৪-৩-৩ এ রূপ নিচ্ছিল। ম্যানচেস্টার সিটির গোলকিপার এদেরসনের সামনে রক্ষণভাগে জুটি বেঁধেছিলেন চেলসির বর্ষীয়ান সেন্টারব্যাক থিয়াগো সিলভা ও বেনফিকার লুকাস ভেরিসিমো। টটেনহামের এমারসন রয়্যালকে খেলানো হয়েছে রাইটব্যাক হিসেবে, ওদিকে জুভেন্টাসের অ্যালেক্স সান্দ্রো খেলেছেন লেফটব্যাক হিসেবে।

মাঝমাঠে রিয়াল মাদ্রিদের কাসেমিরো ছিলেন না। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েছিলেন লিভারপুলের রক্ষণাত্মক মিডফিল্ডার ফাবিনিও। ফাবিনিওর পাশে লিভারপুলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের তারকা ফ্রেদকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তৃতীয় মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছেন অলিম্পিক লিওঁর লুকাস পাকেতা। আক্রমণভাগের বাকি তিনজন ছিলেন রাফিনহা, নেইমার ও গাব্রিয়েল জেসুস।

ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ১১৫ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল নেইমারের। গোল করেছেন ৭০টি, করিয়েছেন ৫০টা। এবারের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৮ ম্যাচ খেলে সাত গোল করেছেন, করিয়েছেন আরও সাতটা। কিছুদিন আগেই জানিয়েছিলেন, কাতার বিশ্বকাপই হয়তো হতে পারে তাঁর শেষ বিশ্বকাপ। কিন্তু জাতীয় দলের জার্সি পরে এখনও যেভাবে খেলছেন, ব্রাজিল সমর্থকেরা আরও বহু বহুদিন নেইমারকে মাঠে দেখতে চাইবেন!

১১ ম্যাচে ১০ জয় ও এক ড্রয়ে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। সব পক্ষে থাকলে পরের ম্যাচেই নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাতারের টিকেট। সাত জয় ও চার ড্রয়ে ২৫ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার দুইয়ে আছে আর্জেন্টিনা। এক ম্যাচ বেশি খেলা একুয়েডর ১৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে তৃতীয় স্থানে। তাদের সমান ১২ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে কলম্বিয়া। সমান পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে উরুগুয়ে।