বাসের আগুন নাশকতা কিনা দেখবে পুলিশ

Advertisements

রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অনাবিল পরিবহনের বাসের চাপায় মাইনুদ্দিন ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস ও চালককে আটক করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে চালকের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে এ ঘটনায় কোনো সুযোগসন্ধানী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।

সোমবার (৩০ নভেম্বর) রাতে দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. আ. আহাদ।

তিনি বলেন, ঘটনার পর চালক পালিয়ে যাচ্ছিলেন। পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তাকে আটক করে। তিনি বর্তমানে থানায় আছেন। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।

এই ঘটনার জেরে ৮টি বাসে আগুন দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিসি বলেন, আমরা যতদূর জানি উত্তেজিত জনতা এসব আগুন ধরিয়েছে। তবে কোনো সুযোগসন্ধানী কেউ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাসে আগুন দিয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ। এছাড়া কতগুলো বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে তা পরে জানানো হবে।

মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার আরও বলেন, আমরা নিহতের ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন তারা ভাঙচুর বা আগুন দেননি। অন্য কেউ এসে এসব করেছে। এ ধরনের ঘটনা কাম্য নয়।

জানা যায়, নিহত শিক্ষার্থীর মাঈনুদ্দিন রামপুরা একরামুনেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। রামপুরার তিতাস রোডে ভাড়া বাসায় থেকে চায়ের দোকান চালান মাঈনুদ্দিনের বাবা।